*দূর করুন নেতিবাচক চিন্তা। হচ্ছে না- হবে না, পারছি না-পারবো না, এমন সব নেতিবাচক চিন্তা ঝেড়ে ফেলুন। স্বপ্ন দেখতে শিখুন-“আমি পারবো”।
জন জেক্স বলেন-“নিজের উপর বিশ্বাস আনুন, নিজেকে নিজে চিনতে শিখুন। হাত রয়েছে তবে কেন পারবেন না; পা রয়েছে তবে কেন যেতে পারবেন না, মাথা রয়েছে তবে কিসের এতো বোকামি, রয়েছে শরীরে শক্তি- তবে কিসের এতো ভয়, অথচ সফলতা তাদেরও এসেছে যাদের নেই হাত, পা কিংবা শরীরের কোনও একটা অংশ !

**অহেতুক রাগ ক্ষোভ ঝেড়ে ফেলুন। যে ব্যাপারে আপনার কিছু করার নেই তাতে রাগ করে লাভ কি; বরং তাতে ক্ষতিটা হবে নিজের।
লং ফেলোর স্ত্রী অহেতুক মোমবাতির উপর রাগ করেছিলেন অথচ কাজের বেখেয়ালে সেই মোমবাতিই তার পরিধেয় কাপড়ের উপর পড়ে যা তিনি খেয়ালও করেননি এবং পরিশেষে সেই আগুনে পুড়েই তাকে মরতে হয়।
জগতের সকল কিছু আপনার মতো করে হবে না এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু তাতে রাগ কিসের!! বরং রাগগুলো ঝেড়ে ফেলে ভালোভাবে বুঝার চেষ্টা করুন- দেখবেন উপায় খুঁজে পেয়েছেন।
**বুঝার চেষ্টা করুন, তবে মুখস্থ নয়। সফল হতে হলে চাই বুদ্ধির প্রয়োগ; মুখস্থ বিদ্যাতে সেটা সম্ভব নয়।
আইনস্টাইন বলেন-“আমার সফলতার পেছনে যা কিছু কাজ করেছে তার মূলে ছিল আমার জ্ঞান-বুদ্ধি-চিন্তাশক্তি।”
জর্জ বার্নাড শো মাত্র পাঁচ বছর লেখাপড়া করেছিলেন অথচ তিনি ছিলেন তার সময়কার শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক।
সুতরাং জ্ঞানকে কাজে লাগান, চিন্তা করবেন না- কোথায় বা কার দ্বারা সম্ভব, বরং চিন্তা করুন কিভাবে সম্ভব। নিজে নিজে পারার চেষ্টা করুন। সফল ব্যক্তিরা নিজের শ্রমে নিজের বুদ্ধিতে সফল হয়েছেন।
এলিওট এর ভাষায়- “নিজের পথে চলো, ভালো পথে চলো। কারণ তোমার ভবিষ্যৎ তুমিই দেখতে পাচ্ছো- অন্য কেউ নয়”।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *